“Ouçam, fantasmas aí dentro! Eu sou Zheng Huangjian de Jiqing, vocês estão cercados! Agora ordeno que larguem suas armas e se rendam imediatamente! Repito...” Quem estava falando era meu superior. Co
ভেতরের ভবঘুরে ভূত আর প্রেতাত্মারা শোনো! আমি জিকিং শহরের আঞ্চলিক প্রধান হুয়াং জিয়ান। তোমরা চারদিক থেকে ঘেরাও হয়েছ। আমি আদেশ দিচ্ছি, অবিলম্বে অস্ত্র ফেলে বাইরে এসে আত্মসমর্পণ করো! আবার বলছি! আমি হলাম..."
যিনি চিৎকার করে এই ঘোষণা দিচ্ছিলেন, তিনি আমার বস, নাম হুয়াং জিয়ান। তাঁর সাথে বছরের পর বছর অভিযানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে আমি জানি, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেতরের হিংস্র ভূতটা ওনাকে ধরে বেদম পিটুনি দেবে।
মার খাওয়াটাই ওনার প্রাপ্য। কোনো লড়াই করার ক্ষমতা নেই অথচ উনি একজন কেরানি গোছের প্রেত-রক্ষী, কিন্তু চেঁচামেচি করে সবার নজর কাড়তে ওনার ভারী শখ। এমন লোক মার না খেলে তো সৃষ্টির নিয়মই ভুল হয়ে যাবে।
হুয়াং জিয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে আছে আমার গুরুভাই, তার নাম গাও লিয়াং। ছেলেটা কিন্তু সাংঘাতিক একগুঁয়ে আর দুর্ধর্ষ!
মনে আছে, তখনো আমি তাওবাদী সাধনা শিখিনি, ও আমাকে জোর করে টেনে নিয়ে একটা পেত্নীর আস্তানায় ঢুকে পড়েছিল।
সেই পেত্নীটা যখন ওর ছোঁড়া দুটো মন্ত্রপূত লিপি এড়িয়ে গেল, তখন ও খুব গর্বের সাথে আমাকে জানাল যে ও কোনো অস্ত্র আনেনি। ওর কাছে সাকুল্যে ওই দুটো লিপিই ছিল, যা ও ইতিমধ্যেই খরচ করে ফেলেছে।
সেদিন আমরা দুজনে প্রায় ওখানেই প্রাণটা হারাতে বসেছিলাম।
তবে এখন আর আগের দিন নেই। বর্তমানে ওর হাতে আছে 'ঝড়-ঝঞ্ঝা ও বজ্রের ভূত-তাড়ানো মন্ত্র' খোদাই করা পিচ কাঠের লাঠি, আর গায়ে সাঁটা আছে একটি 'লিউজিয়া আত্মরক্ষা কবচ'। এতে ওর আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। হুয়াং জিয়ানের ঘোষণা শেষ হতে না হতেই ও তীরের মতো ছুটে সামনের ওই ভুতুড়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ল।
আমি কিন্তু নড়লাম না, কারণ আমার মনে কিছু প্রশ্ন ছিল।
প্রথমত, হুয়াং জিয়ান বলল ভেতরের ভূতটাকে নাকি ঘিরে ফেলা হয়েছে। আমার তো মনে হচ্ছিল জিজ্ঞেস করি—আরে ভাই, আমাকে নিয়ে আমরা মোটে তিনজন লোক, শত