[Transmigração em livro + cultivo de terras + punição dos canalhas + duplo romance puro + amor que cresce com o tempo + sistema de espaço] Song Xuelin morreu subitamente de exaustão no trabalho e, in
পৃষ্ঠা ১/৩
“ছোট্ট মেয়ে, ছোট্ট মেয়ে...”
“দিদি, তুমি মরো না, চোখ খোলো...”
দমিয়ে রাখা কান্নার শব্দে সং শ্যুয়েলিনের ঘুম ভেঙে গেল।
সে প্রাণপণে চোখ মেলে দেখল, একটি ভাঙাচোরা খাটের ওপর শুয়ে আছে। তার সামনে ছেঁড়াফাটা পোশাক পরা দুজন মানুষ দাঁড়িয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে; তাদের মুখজুড়ে নাকের জল আর চোখের জল।
বাঁ দিকে দাঁড়ানো তরুণীটির মুখ হলদেটে ও রোগা, চুল এলোমেলো, চেহারা অপরিষ্কার। তার দুই চোখ নিষ্প্রভ, দেখে মনে হয় বুদ্ধিবিবেচনা খুব একটা স্বাভাবিক নয়।
তার পাশে তিন বছরের একটু বেশি বয়সের একটি ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। এতই রোগা যে মনে হয় শুধু হাড়ের ওপর চামড়া, আর তার তীক্ষ্ণ মুখে দেখা যাচ্ছে কেবল একজোড়া কুচকুচে কালো বড় বড় চোখ।
সং শ্যুয়েলিন কষ্ট করে উঠে বসল এবং ভ্রু কুঁচকে তাদের দিকে তাকাল।
সে এখানে এল কী করে?
এই দুজনই বা কারা?
তাদের পোশাক এত অদ্ভুত কেন?
সং শ্যুয়েলিন একটি ছোট প্রতিষ্ঠানের দপ্তরকর্মী ছিল। অতিরিক্ত কাজের চাপে একদিন কর্মস্থলেই হঠাৎ মারা যায়।
আতঙ্কিত সহকর্মীরা জরুরি চিকিৎসাসেবায় ফোন করেছিল। ছুটে আসা চিকিৎসকেরা নানাভাবে চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি; শেষ পর্যন্ত অসহায়ভাবে মৃত্যুর ঘোষণা দিতে হয়েছিল।
আত্মা শরীর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর নিজের চোখে দেখা দৃশ্য—এ ব্যাপারে তার ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।
তাহলে এখন সে এখানে জীবন্ত অবস্থায় শুয়ে আছে কীভাবে?
হঠাৎ সং শ্যুয়েলিনের মাথায় এমন একগুচ্ছ স্মৃতি ঢুকে পড়ল, যা তার নিজের নয়। স্মৃতিগুলো গুছিয়ে বুঝে উঠতেই সে আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে গেল।
সে যে সময়ের স্রোত পেরিয়ে অন্য যুগে এসে পড়েছে!
আর এসে উঠেছে প্রাচীনকালের এক কৃষক পরিবারের মেয়ে সং শিয়াওয়া হয়ে!
সং শিয়াওয়া মূলত পাহাড়ে কাঠ কাটতে গিয়েছিল। কে যেন পেছন থ